- Get link
- X
- Other Apps
- Get link
- X
- Other Apps
সেভ দ্যা হিউমানিটিসে অভিযোগ দায়েরের পদ্ধতি
কে অভিযোগ করতে পারেন?
জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে যে কোন বয়সের দেশী বা বিদেশী যে কোন ব্যক্তি কমিশনে অভিযোগ করতে পারেন। অর্থাৎ গ্রামের বা শহরের, সমতলের বা পাহাড়ী জনগোষ্ঠীর ধনী, গরীব, কৃষক, শ্রমিক, শিক্ষিত অথবা অশিক্ষিত যে কেউ সেভ দ্যা হিউমানিটিসের অফিসে অভিযোগ করতে পারেন। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি নিজে অথবা তাঁর পক্ষে অন্য কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানও অভিযোগ করতে পারেন। অবস্থা বিবেচনায় সংস্থা স্ব-উদ্যোগেও অভিযোগ গ্রহণ করতে পারে।
কী ধরনের অভিযোগ করা যায়?
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে যে অধিকারগুলি সকল নাগরিককে দেওয়া হয়েছে তার লঙ্ঘন হলে বা লঙ্ঘনের আশঙ্কা তৈরি হলে বা স্বীকৃত আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনে বর্ণিত অধিকারসমূহ লঙ্ঘিত হলে সেভ দ্যা হিউমানিটিসে অভিযোগ করা যায়। কেউ যদি মনে করেন যে, মানুষ হিসাবে রাষ্ট্রের কাছে তাঁর জীবন, সমতা ও মর্যাদার যে অধিকার পাওনা আছে তা ক্ষুণ্ন হয়েছে কিংবা ক্ষুণ্ন হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে অর্থাৎ রাষ্ট্রীয় বা সরকারি সংস্থা বা প্রতিষ্ঠান বা সংগঠন বা কোন জনসেবক বা কোন ব্যক্তি কর্তৃক মানবাধিকার (জীবন, অধিকার, সমতা ও মর্যাদা সংক্রান্ত অধিকার) লঙ্ঘন করা হয়েছে বা লঙ্ঘনের প্ররোচনা দেওয়া হয়েছে বা এই সব অধিকার লঙ্ঘন প্রতিরোধে অবহেলা করা হয়েছে তাহলে সেভ দ্যা হিউমানিটিসের অফিসে অভিযোগ করা যায়।
কীভাবে অভিযোগ দাখিল। সংস্থার নির্ধারিত ফরমে অথবা সাদা কাগজে হাতে লিখে বা টাইপ করে, সংস্থার অফিসে নিজে অথবা প্রতিনিধির মাধ্যমে উপস্থিত হয়ে অথবা ডাক মারফত, ফ্যাক্স অথবা ইমেইলের মাধ্যমে অভিযোগ পাঠানো যায়। অভিযোগের সাথে অন্যান্য কাগজপত্র, ছবি, অডিও, ভিডিও ক্লিপ ইত্যাদি সংযুক্ত করা যেতে পারে।
অভিযোগ দেওয়ার পর কী হয়?
(১) অভিযোগ গ্রহণ করার পর সংস্থার বাছাই সেল অভিযোগটির আইনগত দিক পরীক্ষা করে দেখবে;
(২) বাছাই সেল যদি দেখে যে আবেদনটি সংস্থার এখতিয়ারের বাইরে তাহলে অভিযোগকারীর কী করা উচিত সে বিষয়ে পরামর্শসহ পরবর্তী সাত দিনের মধ্যে অভিযোগকারীর ঠিকানায় লিখিত উত্তর পাঠাবে;
(৩) অভিযোগটি সংস্থার এখতিয়ারের মধ্যে হলে সংস্থা অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করে দেখবে;
(৪) তদন্তে যদি মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয় প্রকাশ পায় তাহলে সংস্থা অভিযোগকারী এবং অভিযুক্তের মধ্যে উদ্ভূত বিরোধটি মধ্যস্থতা ও সমঝোতার মাধ্যমে নিষ্পত্তির চেষ্টা করবে;
(৫) মধ্যস্থতা সফল না হলে মানবাধিকার লঙ্ঘনকারী ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা বা অন্য কোন কার্যধারা দায়ের করার জন্য সংস্থা যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে সুপারিশ করবে
সেভ দ্যা হিউমানিটিসের মূল লক্ষ্য হচ্ছে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান যেন তার ক্ষমতার অপব্যবহার করে নাগরিকের মর্যাদা, সম্মান, সমতা ইত্যাদির অধিকার লঙ্ঘন করতে না পারে তার প্রতি লক্ষ্য রেখে দেশের সার্বিক মানবাধিকার পরিস্থিতির সংরক্ষণ ও উন্নয়ন করা।
- Get link
- X
- Other Apps
Comments
Post a Comment